আইইউডি ও ইমপ্ল্যান্ট
সম্পর্কে জানুন

কোথায় পাবেন ?
  • রিল্যাক্স সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং উত্তর
  • আই-প্ল্যান্ট সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং উত্তর
  • উত্তর জানতে প্রশ্নে ক্লিক করুন

    ১. রিল্যাক্স কি?
    • রিল্যাক্স (আইইউডি) হচ্ছে সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানীর ব্র্যান্ডকৃত দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি (IUD-Intra Uterine Device)।
    • রিল্যাক্স ১০ বছরের জন্য জন্মবিরতি করে।
    • রিল্যাক্স হচ্ছে “T” আকৃতির প্লাস্টিকের একটি ডিভাইস, যেটি মহিলাদের জরায়ুর ভিতরে স্থাপন করা হয়। এটি একটি হরমোন-বিহীন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
    ২. কাদের জন্য রিল্যাক্স উপযুক্ত?
    • সাধারনত ১টি সন্তানের মা রিল্যাক্স পরতে পারবেন, যদি শারিরীকভাবে কোন অনুপুযুক্ততা না থাকে। তবে যাদের ২টি সন্তান রয়েছে এবং আর কোন সন্তান চান না কিন্তু স্থায়ী পদ্ধতির প্রতি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন না, তাদের জন্য রিল্যাক্স একটি আদর্শ পদ্ধতি এটি তাদের স্থায়ী পদ্ধতির মত সুবিধা দিবে অথচ প্রয়োজনে খুলে ফেলে সন্তান নিতে পারেন।
    ৩. রিল্যাক্স কি মহিলার জরায়ু থেকে শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন - লিভার, হৃৎপিন্ড বা মস্তিষ্কে ঘুরে বেড়াতে পারে?
    • রিল্যাক্স কখনোই শরীরের বিভিন্ন অংশে যেতে পারে না। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে রিল্যাক্স জরায়ুর দেয়াল ভেদ করে পেটের মধ্যে আসতে পারে। এটা জরায়ুর ভিতরে রিল্যাক্স এর ধীর গতিতে চলাচলের জন্য নয়, টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে শুধু এটা হতে পারে।
    ৪. রিল্যাক্স এর সুবিধা ও অসুবিধা কি?
    • রিল্যাক্স -এর সুবিধা হল- এটি হরমোন-বিহীন পদ্ধতি। ফলে হরমোনাল পদ্ধতির ক্ষেত্রে যে সব অসুবিধা হয় যেমন, বমি বমি ভাব, মোটা হয়ে যাওয়া। এই ধরনের অসুবিধাগুলো হয় না, তবে এর একটি বড় সুবিধা হল- সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বছর পর্যন্ত নিশ্চিন্তে থাকা যায়। এছাড়া আপনি চাইলে যে কোন সময় খুলে ফেলতে পারবেন এবং খুলে ফেলার পরপরই খুব তাড়াতাড়ি সন্তান নিতে পারবেন।
    • রিল্যাক্স এর অসুবিধা হল- কোন কোন মহিলার ক্ষেত্রে মাসিকের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
    ৫. রিল্যাক্স কি খুলে ফেলার পরও একজন মহিলাকে গর্ভবতী হতে বাধা প্রদান করে?
    • না, রিল্যাক্স খুলে ফেলার পর গর্ভবতী হতে কোন বাধা প্রদান করে না বরং একজন মহিলা সহজেই গর্ভবতী হতে পারেন।
    ৬. যে মহিলার একটি সন্তানও নেই, সে কি রিল্যাক্স ব্যবহার করতে পারে?
    • না, আমাদের দেশের নীতিমালা অনুযায়ী রিল্যাক্স গ্রহণকারীর অবশ্যই কমপক্ষে ১টি সন্তান থাকতে হবে।
    ৭. সন্তান হবার পর পরই একজন মহিলা কি রিল্যাক্স পরতে বা ব্যবহার করতে পারেন?
    • হ্যা, যদি হাসপাতালে প্রসব হয় এবং যিনি রিল্যাক্স প্রয়োগ করবেন তার এ বিষয়ে সঠিক প্রশিক্ষন থাকে, তবে স্বাভাবিক প্রসবের পরপরই এবং সিজারিয়ান অপারেশনের সময় রিল্যাক্স প্রয়োগ করা যায়।
    ৮. সংক্রমন প্রতিরোধের জন্য কি রিল্যাক্স পরানোর পূর্বে এন্টিবায়োটিক খাওয়া প্রয়োজন?
    • যদি উপযুক্ত ও সুস্থ গ্রহীতাকে সঠিকভাবে রিল্যাক্স পরানো হয় তাহলে সংক্রমনের ঝুঁকি খুব কম থাকে এবং এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন পড়ে না।
    ৯. একজন মহিলা কি রিল্যাক্স পরার জন্য খুব অল্প বয়স্কা বা অধিক বয়স্কা হতে পারেন? সব বয়সের মহিলাকে কি রিল্যাক্স পরানো যাবে?
    • হ্যা, যদি মহিলার কমপক্ষে ১টি জীবিত সন্তান থাকে এবং শারীরিক উপযুক্ততা থাকে, তাহলে রিল্যাক্স পরানোর জন্য সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন কোন বয়স নেই।
    ১০. প্রাথমিক পরামর্শ প্রদানের দিনেই কি একজন মহিলা রিল্যাক্স পরতে পারেন?
    • হ্যা, যদি মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মহিলা গর্ভবতী নন এবং তার কোন সংক্রমণ নাই, তবে সেবাদানকেন্দ্রে আরেকবার আসার কোন প্রয়োজন নেই। পুনরায় আসা তার জন্য অসুবিধাজনক হতে পারে। আবার রিল্যাক্স পরতে পুনরায় আসার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে যেতে পারে।
    ১১. ডায়াবেটিস রোগ থাকলে কি রিল্যাক্স পরা যাবে?
    • হ্যা, ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলে রিল্যাক্স পরানো যাবে, তবে যাদের ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রিত নেই রিল্যাক্স তাদের জন্য নিরাপদ নয়। কারণ এ সকল মহিলার সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। এসব গ্রহীতাদের যৌনবাহিত রোগ বা অন্য কোন সংক্রমণের কোন সম্ভাব্য চিহ্ন লক্ষ্য করলে সেবাদানকারীর সাথে পরামর্শ করা উচিত, বিশেষত রিল্যাক্স পরার পর পরই যদি সংক্রমণ দেখা দেয়।
    ১২. রিল্যাক্স পরার পরে গ্রহীতার রক্তস্রাব / ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ক্ষরণ হতে পারে কি?
    • স্থাপনের প্রথম ২-৩ দিন তলপেটে সামান্য ব্যথা ফোঁটা ফোঁটা রক্তক্ষরণ হতে পারে, তবে পরবর্তীতে এই সমস্যা থাকবে না।
    ১৩. কয়েক বছর রিল্যাক্স ব্যবহার করার পর বা মেয়াদ পরবর্তী রিল্যাক্স খোলার পরপর কি আরেকটি রিল্যাক্স পরানো যাবে নাকি পরার মাঝে বিরতির প্রয়োজন আছে?
    • না, বিরতির কোন প্রয়োজন নেই। মেয়াদ উত্তীর্ণ (১০ বছর) হবার পর রিল্যাক্স খোলার পরপরই নতুন একটি রিল্যাক্স পরানো যাবে।
    ১৪. রিল্যাক্স কি গর্ভপাত করে?
    • রিল্যাক্স গর্ভপাত ঘটাতে পারে না। এটি শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষিক্তকরন প্রক্রিয়াকে বাধা দেয় এবং কোন কারণে ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়ে গেলেও তাকে জরায়ুতে গ্রোথিত (Implantation) হওয়া থেকে বিরত রাখে। সুতরাং এটি পুরোপুরিভাবে একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।
    ১৫. রিল্যাক্স কি তলপেটে প্রদাহের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়?
    • প্রজননতন্ত্রের উপরের অংশে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ানোর ক্ষেত্রে রিল্যাক্স কোন প্রভাব ফেলে না। সঠিকভাবে গ্রহীতা বাছাই না করা হলে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সঠিকভাবে মানা না হলে তলপেটে প্রদাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
    ১৬. রিল্যাক্স স্থাপনের পর গ্রহীতাকে কি পুনরায় সেবা কেন্দ্রে আসতে হবে?
    • হ্যাঁ, নিয়মিত ফলো-আপের জন্য আসতে হবে। রিল্যাক্স রিল্যাক্স ব্যবহারে কোন সমস্যা হচ্ছে কি-না এবং তা সঠিকভাবে কাজ করছে কি-না তা জানার জন্য ৩ বার নিয়মিত ফলো-আপ করতে আসতে হয়।
      • ১ম বার: প্রয়োগের পর বা প্রথম মাসিকের পর অথবা ৩-৬ সপ্তাহের মধ্যে
      • ২য় বার: প্রয়োগের ৬ মাস পর (কম/বেশি ১ মাস)
      • ৩য় বার: প্রয়োগের ১২ মাস পর (কম/বেশি ১ মাস)
    • এছাড়াও জরুরি অবস্থা দেখা দিলে, যেকোন সময় সেবাকেন্দ্রে এসে পরামর্শ এবং সেবা গ্রহণ করতে হবে
  • উত্তর জানতে প্রশ্নে ক্লিক করুন

    ১. আই-প্ল্যান্ট কি?
    • আই-প্ল্যান্ট (ইমপ্ল্যান্ট) হচ্ছে সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানীর ব্র্যান্ডকৃত দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি।
    • আই-প্ল্যান্ট ৫ বছরের জন্য জন্মবিরতি করে।
    • আই-প্ল্যান্ট হরমোনসমৃদ্ধ ছোট দুটি কাঠি, যেটা মহিলাদের হাতের চামড়ার নিচে স্থাপন করা হয়।
    ২. কাদের জন্য আই-প্ল্যান্ট উপযুক্ত?
    • যে সকল বিবাহিত মহিলা এখনো পড়াশুনা শেষ করেন নাই, উচ্চতর শিক্ষার আগে কোন সন্তান নিতে চান না বা ৩-৮ বছর পেশাগত দায়িত্ব সক্রিয়ভাবে পালন করে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য আই-প্ল্যান্ট একটি আদর্শ পদ্ধতি।
    ৩. যে সব মহিলাদের সন্তান নেই তারা কি আই-প্ল্যান্ট ব্যবহার করতে পারেন?
    • বাংলাদেশে নীতিমালা অনুযায়ী বিবাহিত মহিলাগণ জীবিত সন্তান থাক বা না থাক, আই-প্ল্যান্ট ব্যবহার করতে পারেন। বয়সের সাথে আই-প্ল্যান্ট ব্যবহারের কোন সম্পর্ক নেই। এমনকি নববিবাহিত মহিলাও আই-প্ল্যান্ট ব্যবহার করতে পারেন। অন্য কোন কারণ না থাকলে ম্যানোপজ পর্যন্ত আই-প্ল্যান্ট ব্যবহার করা যায়।
    ৪. আই-প্ল্যান্ট এর সুবিধা ও অসুবিধা কি?
    • আই-প্ল্যান্ট-এর সুবিধা হলো- আই-প্ল্যান্ট পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে- যে সব মায়েরা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন, তাদের বুকের দুধের গুণগতমান ও পরিমাণগত কোন পরিবর্তন হয় না। যারা নতুন বিবাহিত , ২/৩ বৎসর অথবা তারও বেশি সময় বাচ্চা নিতে চায় না তাদের জন্যও এই পদ্ধতিটি নিরাপদ পদ্ধতি।
    • আই-প্ল্যান্ট-এর অসুবিধা হলো- বমি বমি ভাব, মাসিকের সময় ফোঁটা ফোঁটা রক্ত দেখা দিতে পারে। যা পরবর্তীতে আবার ঠিক হয়ে যায়।
    ৫. মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও আই-প্ল্যান্ট শরীরে থাকলে তা কি কোন ক্ষতির কারণ?
    • না, মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও আই-প্ল্যান্ট শরীরে থাকলে তা কোন ক্ষতি করে না। তবে গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে ও জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। তাই আই-প্ল্যান্ট খুলে নতুন সেট পরা যায় বা অন্য কোন জন্মনিরোধক ব্যবহার করা যেতে পারে।
    ৬. আই-প্ল্যান্ট স্থাপনের পর কোন মহিলা যদি গর্ভবতী হন তবে কি তিনি তা খুলে ফেলার জন্য সেবা কেন্দ্রে যাবেন?
    • হ্যা, আই-প্ল্যান্ট ব্যবহারকারী মহিলা গর্ভবতী হলে তিনি তা খুলে ফেলার জন্য সেবা কেন্দ্রে যাবেন।
    ৭. আই-প্ল্যান্ট প্রয়োগের পূর্বে প্রত্যেক মহিলার তলপেট পরীক্ষা আবশ্যক কি না?
    • না, আই-প্ল্যান্ট প্রয়োগের পূর্বে তলপেট পরীক্ষা অত্যাবশ্যক নয়। তবে, মহিলার প্রজননতন্ত্রে কোন অসুবিধা আছে কি-না তা জানার জন্য তলপেট পরীক্ষা করাই ভাল।
    ৮. আই-প্ল্যান্ট প্রয়োগ করার পর কোন মহিলার কি পরীক্ষা করার জন্য আবার সেবা কেন্দ্রে আসা আবশ্যক?
    • হ্যা, আমাদের দেশে আই-প্ল্যান্ট খোলা নিশ্চিত করা এবং গ্রহীতার কোন শারীরিক অসুবিধা আছে কি-না দেখার জন্য তাকে ৩ বার ফলো-আপে আসতে হবে।
    ৯. মেয়াদ শেষ হবার পূর্বে যদি কোন মহিলা তার হাতে প্রয়োগকৃত আই-প্ল্যান্ট খুলে ফেলতে চান, তবে কি করতে হবে?
    • হ্যাঁ, যে কোন সময় খুলে ফেলতে পারবেন। এক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
    ১০. আই-প্ল্যান্ট পদ্ধতি কি অন্যান্য হরমোনাল পদ্ধতিগুলোর মতো শারীরিক ওজন বৃদ্ধি করে থাকে?
    • কিছুটা সম্ভাবনা থাকে। তবে খাবার ও নিয়মিত শরীর র্চচা করলে এই সমস্যাটিও থাকে না।
    ১১. একজন মহিলার শরীরে কি আই-প্ল্যান্ট ভেঙ্গে যায় অথবা ঘুরে বেড়ায়?
    • আই-প্ল্যান্ট নমনীয় এবং চামড়ার নিচে আই-প্ল্যান্ট ভাঙ্গে না। অপসারণের আগ পর্যন্ত যে জায়গায় স্থাপন করা হয় ঐ জায়গায় থাকে।
    ১২. আই-প্ল্যান্ট প্রয়োগের পর পরই কি একজন মহিলা কাজ করতে পারেন?
    • হ্যা, সেবা কেন্দ্র থেকে ফিরে আসার পর পরই একজন মহিলা তার দৈনন্দিন কাজ করতে পারেন, তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে তিনি ঐ জায়গায় হঠাৎ কোন আঘাত না পান বা না ভেজান।
    ১৩. আই-প্ল্যান্ট খুলে ফেলার পর কত সময়ের মধ্যে একজন মহিলা গর্ভধারণ করতে পারেন?
    • আই-প্ল্যান্ট খুলে ফেলার পর একজন মহিলার প্রজনন ক্ষমতা ফিরে আসতে বিলম্ব হয় না। আই-প্ল্যান্ট খুলে ফেলার পর পরই পূর্বের মত, নিয়মিত মাসিক এ ফিরে আসেন। তবে, কিছু কিছু মহিলার ক্ষেত্রে সময় লাগতে পারে।
    ১৪. শিশুকে দুধ খাওয়ান এমন একজন মহিলা কত তাড়াতাড়ি আই-প্ল্যান্ট ব্যবহার শুরু করতে পারেন?
    • শুধুমাত্র প্রজেস্টেরন সমৃদ্ধ জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি যেমন- আই-প্ল্যান্ট ব্যবহার শুরু করতে হলে, সন্তান জন্মের কমপক্ষে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সেবাদানকারীর পরামর্শ অনুযায়ী ৬ সপ্তাহের পূর্বে প্রজেস্টেরন সমৃদ্ধ পদ্ধতি (আই-প্ল্যান্ট) ব্যবহার করতে পারেন।
    ১৫. আই-প্ল্যান্ট স্থাপনের পর গ্রহীতাকে কত বার ফলো-আপের জন্য সেবা কেন্দ্রে আসতে হবে?
    • নিয়মিত ফলো- আপের জন্য ৩ বার সেবাকেন্দ্রে আসতে হবে।
      • ১ম ফলো-আপ - স্থাপনের ১ মাস পর (কম/বেশি ৭ দিন)
      • ২য় ফলো-আপ - স্থাপনের ৬ মাস পর (কম/বেশি ১ মাস)
      • ৩য় ফলো-আপ - স্থাপনের ১ বছর পর (কম/বেশি ১ মাস)
    • এছাড়াও জরুরি অবস্থা দেখা দিলে, যেকোন সময় সেবাকেন্দ্রে এসে পরামর্শ এবং সেবা গ্রহণ করতে হবে।